ashy prinia
Prinia inornata
Last update: 31 Jul 2026Ashy Prinia সম্পর্কিত প্রাথমিক তথ্য
| Scientific Name | Prinia inornata |
|---|---|
| Status | LC অসংকটাপন্ন |
| Size | 13-13 cm (5-5 inch) |
| Colors |
Grey
Brown
|
| Type |
Perching Birds
|
| Family | Cisticolas and allies |
অন্যান্য ভাষায় Ashy Prinia-এর নাম
| assamese | ধোঁৱাবৰণীয়া নলচুপি চৰাই |
|---|---|
| gujarati | કાળી પાન ફુત્કી |
| hindi | फुत्की |
| kannada | ಟುವ್ವಿಹಕ್ಕಿ, ಸುವ್ವಿ |
| malayalam | കതിർവാലൻ കുരുവി |
| marathi | राखाडी वटवट्या, राखी वटवट्या |
| sanskrit | पुरल्लिका |
| tamil | சாம்பல் கதிர்க்குருவி |
ভূমিকা
মেটে টুনটুনি (Ashy Prinia) বা অ্যাশলি রেন-ওয়ার্বলার হল সিসটিকোলিডি পরিবারের একটি ছোট গায়ক পাখি। এটি ভারতীয় উপমহাদেশের একটি অতি পরিচিত আবাসিক পাখি। বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটান এবং শ্রীলঙ্কায় এদের প্রচুর পরিমাণে দেখা যায়। এদের ছোট আকার এবং বিশেষ ধরনের লেজের ভঙ্গি এদের আলাদা পরিচিতি দেয়।
শারীরিক চেহারা
মেটে টুনটুনি আকারে বেশ ছোট, সাধারণত ১৩ সেন্টিমিটার লম্বা হয়। এদের লেজটি বেশ লম্বা এবং সর্বদা উপরের দিকে খাড়া থাকে। এদের পিঠের রঙ ছাই-ধূসর বা মেটে বর্ণের এবং পেটের দিকটা হালকা ক্রিম বা সাদাটে হয়ে থাকে। প্রজনন ঋতুতে উত্তর ভারতের কিছু অঞ্চলের পাখির পালকের রঙে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।
বাসস্থান
এই পাখিরা মূলত লম্বা ফসলের জমি, নলখাগড়া, ঘাসবন, ঝোপঝাড় এবং ম্যানগ্রোভ বনে বাস করতে পছন্দ করে। এছাড়া শহরের বাগান এবং কৃষি জমিতেও এদের প্রায়ই বিচরণ করতে দেখা যায়।
খাদ্যাভ্যাস
মেটে টুনটুনির প্রধান খাদ্য হলো ছোট অমেরুদণ্ডী প্রাণী, বিশেষ করে ছোট পোকামাকড় এবং তাদের লার্ভা। এছাড়াও এরা ছোট মাকড়সা এবং ফুলের মধু পান করতে পছন্দ করে বলে ধারণা করা হয়।
প্রজনন এবং বাসা
এরা সাধারণত নিচু ঝোপঝাড় বা ঘন ঘাসের মধ্যে বাসা তৈরি করে। এদের বাসাগুলো বেশ নিপুণভাবে তৈরি হয়। উত্তর দিকের জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এদের প্রজনন ঋতুতে বিশেষ পালক গজাতে দেখা যায়।
আচরণ
এরা অত্যন্ত চটপটে এবং অস্থির স্বভাবের পাখি। এক ডাল থেকে অন্য ডালে যাওয়ার সময় এরা অনবরত লেজ নাচাতে থাকে। এদের ডাক বেশ তীক্ষ্ণ এবং উচ্চস্বরের, যা বাগানের শান্ত পরিবেশে সহজেই আলাদা করা যায়।
সংরক্ষণ অবস্থা - LC অসংকটাপন্ন
আইইউসিএন (IUCN) লাল তালিকা অনুযায়ী, মেটে টুনটুনি বর্তমানে ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত (Least Concern) প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত। এদের সংখ্যা প্রকৃতিতে স্থিতিশীল রয়েছে।
আকর্ষণীয় তথ্য
- মেটে টুনটুনির লেজ সবসময় খাড়া থাকে, যা দেখে এদের সহজেই চেনা যায়।
- এরা মানুষের বসতির আশেপাশে বা শহরের বাগানে থাকতে খুব পছন্দ করে।
- উত্তর ভারতের পাখিদের প্রজনন ও অপ্রজনন ঋতুতে পালকের রঙ ভিন্ন হয়, যা দক্ষিণ ভারতে দেখা যায় না।
- এরা খুবই দক্ষ গায়ক পাখি এবং অনেকটা সময় ধরে গান গাইতে পারে।
পাখি পর্যবেক্ষকদের জন্য টিপস
- মেটে টুনটুনি দেখার সেরা সময় হলো খুব ভোরবেলা।
- এদের ডাক অনুসরণ করলে ঝোপঝাড়ের মধ্যে এদের খুঁজে পাওয়া সহজ হয়।
- বাগানের ঘন ঝোপ বা লম্বা ঘাসের আশেপাশে শান্ত হয়ে অপেক্ষা করলে এদের দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
উপসংহার
মেটে টুনটুনি আমাদের প্রকৃতির এক অবিচ্ছেদ্য এবং সুন্দর অংশ। এদের উপস্থিতি আমাদের পরিবেশকে প্রাণবন্ত করে তোলে। প্রকৃতি প্রেমীদের কাছে এই ছোট পাখিটি তার চঞ্চলতা এবং মিষ্টি ডাকের জন্য অত্যন্ত প্রিয়।
Tag: