Color Switcher

asian koel

Eudynamys scolopaceus
  • Home
  • asian koel Details
iconAbout asian koel

Asian Koel সম্পর্কে মৌলিক তথ্য

Asian Koel সম্পর্কে মৌলিক তথ্য

Scientific NameEudynamys scolopaceus
Status LC অসংকটাপন্ন
Size43-43 cm (17-17 inch)
Colors
Black
Grey
TypePerching Birds

স্থানীয় ভাষায় নাম

assamese: কুলি
bengali: কোয়েল, কোকিল, কুলি
gujarati: કોયલ, કોકિલા
hindi: कोयल
kannada: ಕೋಗಿಲೆ
malayalam: നാട്ടുകുയിൽ
marathi: कोकीळ (नर), कोकीळा (मादी)
oriya: କୋଇଲି
punjabi: ਏਸ਼ੀਆਈ ਕੋਇਲ
sanskrit: कोकिल, पिक
tamil: குயில்
telugu: కోకిల

ভূমিকা

এশীয় কোকিল (Eudynamys scolopaceus) হলো কুক্কু বা কুহু পরিবারের একটি অত্যন্ত পরিচিত পাখি। দক্ষিণ এশিয়া, চীন এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এদের প্রচুর পরিমাণে দেখা যায়। এদের সুমিষ্ট ডাক এবং অনন্য আচরণের জন্য এটি সাহিত্যে ও লোককথায় একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।

শারীরিক চেহারা

এশীয় কোকিল একটি লম্বা লেজবিশিষ্ট পাখি, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৪৫ সেন্টিমিটার। পুরুষ কোকিল দেখতে উজ্জ্বল নীলচে-কালো রঙের হয় এবং এদের চোখ টকটকে লাল ও ঠোঁট ফ্যাকাশে সবুজ। অন্যদিকে, স্ত্রী কোকিল বাদামী রঙের হয় এবং এর মাথায় লালচে রেখা ও শরীরে সাদা ছোপ থাকে। তরুণ পাখিদের ঠোঁট সাধারণত কালো রঙের হয়।

বাসস্থান

এই পাখিরা মূলত ঘন বন, বাঁশঝাড় এবং বড় গাছপালা সমৃদ্ধ অঞ্চলে বাস করে। এছাড়া উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ এলাকা, ঝোপঝাড়পূর্ণ বাগান এবং গ্রাম ও শহরের বড় গাছপালাপূর্ণ এলাকায় এদের প্রায়ই দেখা যায়।

খাদ্যাভ্যাস

পূর্ণবয়স্ক এশীয় কোকিলরা মূলত ফলভোজী। এরা প্রধানত গাছের পাকা ফল এবং বেরি খেয়ে জীবনধারণ করে। তবে ফলের পাশাপাশি এরা মাঝেমধ্যে পোকামাকড় এবং শুয়োপোকাও ভক্ষণ করে।

প্রজনন এবং বাসা

কোকিল একটি বাসা পরজীবী পাখি হিসেবে পরিচিত। এরা নিজেদের বাসা তৈরি করে না, বরং কাক বা অন্য কোনো পাখির বাসায় চুপিচুপি ডিম পেড়ে আসে। সেই হোস্ট বা আশ্রয়দাতা পাখিটিই কোকিলের ছানাকে নিজের মনে করে লালন-পালন করে বড় করে তোলে।

আচরণ

কোকিল অত্যন্ত উচ্চকণ্ঠের পাখি। বিশেষ করে মার্চ থেকে আগস্ট মাসে এদের প্রজনন ঋতুতে এদের ডাক সবচেয়ে বেশি শোনা যায়। এরা সাধারণত ঘন পাতার আড়ালে লুকিয়ে থাকতে পছন্দ করে এবং খুব একটা প্রকাশ্যে আসে না।

সংরক্ষণ অবস্থা

এশীয় কোকিল বর্তমানে আইইউসিএন (IUCN) এর তালিকায় ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত (Least Concern) প্রজাতি হিসেবে বিবেচিত। এদের সংখ্যা প্রকৃতিতে বেশ স্থিতিশীল।

আকর্ষণীয় তথ্য

  1. 'কোকিল' নামটি এর ডাকের শব্দ থেকে উৎপত্তি হয়েছে।
  2. এরা পূর্ণবয়স্ক অবস্থায় মূলত ফল খেয়ে বেঁচে থাকে, যা অন্যান্য কুক্কু প্রজাতির পাখিদের তুলনায় ব্যতিক্রম।
  3. শ্রীলঙ্কায় কোকিলের ডাককে তাদের ঐতিহ্যবাহী নববর্ষের শুভ সংকেত হিসেবে গণ্য করা হয়।
  4. ভারতীয় কবিতায় কোকিলকে প্রেম এবং বিরহের প্রতীক হিসেবে বারবার ব্যবহার করা হয়েছে।

পাখি পর্যবেক্ষকদের জন্য টিপস

  • কোকিল শনাক্ত করার জন্য তাদের ডাকের ওপর নির্ভর করুন, কারণ এরা পাতার আড়ালে লুকিয়ে থাকে।
  • সকাল এবং গোধূলি বেলায় এদের ডাক সবচেয়ে বেশি শোনা যায়।
  • ফলের বাগান বা বড় বট গাছের আশেপাশে এদের খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

উপসংহার

এশীয় কোকিল আমাদের প্রকৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এর সুমিষ্ট ডাক বসন্তের আগমনী বার্তা বয়ে আনে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে এই পাখির গুরুত্ব অপরিসীম।

বিতরণ মানচিত্র ও এলাকা

Official Distribution Data provided by
BirdLife International and Handbook of the Birds of the World (2025)

Asian Koel সম্পর্কে প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQs)

The assamese name for Asian Koel is কুলি.

The bengali name for Asian Koel is কোয়েল, কোকিল, কুলি.

The gujarati name for Asian Koel is કોયલ, કોકિલા.

The hindi name for Asian Koel is कोयल.

The kannada name for Asian Koel is ಕೋಗಿಲೆ.

The malayalam name for Asian Koel is നാട്ടുകുയിൽ.

The marathi name for Asian Koel is कोकीळ (नर), कोकीळा (मादी).

The oriya name for Asian Koel is କୋଇଲି.

The punjabi name for Asian Koel is ਏਸ਼ੀਆਈ ਕੋਇਲ.

The sanskrit name for Asian Koel is कोकिल, पिक.

The tamil name for Asian Koel is குயில்.

The telugu name for Asian Koel is కోకిల.