Seabirds
avatar
Photo by mayur mulubhai ahir
Not available
dalmatian pelican

dalmatian pelican

Pelecanus crispus

Last update: 02 Feb 2026

Dalmatian Pelican সম্পর্কিত প্রাথমিক তথ্য

Scientific NamePelecanus crispus
Status NT বিপদগ্রস্ত
Size160-180 cm (63-71 inch)
Colors
White
Orange
Type
Seabirds
type
FamilyPelicans

অন্যান্য ভাষায় Dalmatian Pelican-এর নাম

bhojpuriहौसिल
frenchPélican frisé
gujaratiચોટીલી પેણ
tamilதால்மேசிய கூழைக்கடா

ভূমিকা

ডালমেসিয়ান পেলিকান (Pelecanus crispus) হলো পেলিকান পরিবারের সবচেয়ে বিশাল সদস্য এবং সম্ভবত বিশ্বের বৃহত্তম স্বাদুপানির পাখি। এরা অত্যন্ত রাজকীয় এবং মার্জিতভাবে আকাশে উড়তে পারে। এদের ডানার বিস্তার আলবাট্রস পাখির সাথে তুলনাযোগ্য। প্রজনন এবং শীতকালীন আবাসের মধ্যে এরা স্বল্প থেকে মাঝারি দূরত্বে পরিযান করে থাকে।

শারীরিক চেহারা

এই বিশাল পাখির দৈর্ঘ্য প্রায় ১৬০ থেকে ১৮০ সেমি এবং ওজন ১০,০০০ থেকে ১৩,০০০ গ্রামের মধ্যে হয়। এদের ডানার বিস্তার ৩০০ থেকে ৩৫০ সেমি পর্যন্ত হতে পারে। প্রাপ্তবয়স্ক পাখিদের পালক রূপালী-সাদা রঙের এবং ঘাড়ের পালকগুলো কোঁকড়ানো হয়। প্রজনন ঋতুতে এদের গলার থলি উজ্জ্বল কমলা-লাল বর্ণের হয়, যা অন্য সময়ে হলুদ থাকে। এদের পা ধূসর এবং চোখের চারপাশের চামড়া হলুদ থেকে বেগুনি রঙের হতে পারে।

বাসস্থান

ডালমেসিয়ান পেলিকান সাধারণত হ্রদ, নদী, ডেল্টা এবং মোহনায় বসবাস করতে পছন্দ করে। এরা বিশেষ করে এমন জলাশয় পছন্দ করে যা নলখাগড়া এবং ঘন গাছপালা দ্বারা বেষ্টিত। পরিযানের সময় এরা বিশ্রামের জন্য বড় হ্রদ বেছে নেয়।

খাদ্যাভ্যাস

এই প্রজাতির পাখিদের প্রধান খাদ্য হলো মাছ। তবে মাছের পাশাপাশি এরা মাঝে মাঝে ক্রাস্টেসিয়ান এবং ছোট পাখিও শিকার করে থাকে। পুরুষ পাখিরা আকারে বড় হওয়ায় এদের খাবারের চাহিদাও স্ত্রী পাখিদের তুলনায় বেশি হয়।

প্রজনন এবং বাসা

এরা দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপ থেকে রাশিয়া, ভারত এবং চীনে জলাভূমি ও অগভীর হ্রদে প্রজনন করে। এরা সাধারণত প্রতি বছর তাদের পুরনো প্রজনন স্থলে ফিরে আসে। এদের বাসাগুলো লতাপাতা ও জলজ উদ্ভিদের স্তূপ দিয়ে তৈরি করা হয়, যা সাধারণত কোনো দ্বীপ বা ঘন ঝোপঝাড়ের ওপর স্থাপন করা হয়।

আচরণ

ডালমেসিয়ান পেলিকানরা অন্যান্য পেলিকান প্রজাতির তুলনায় কম সামাজিক। তবে এরা দলবদ্ধভাবে চমৎকার ছন্দে উড়তে পারে। শীতকালে এদের পালক কিছুটা ফ্যাকাসে হয়ে যায়, যার ফলে এদের অনেক সময় গ্রেট হোয়াইট পেলিকান বলে ভুল হতে পারে। প্রজনন মৌসুমে এদের কণ্ঠস্বর অনেক বেশি তীব্র ও কর্কশ হয়।

সংরক্ষণ অবস্থা - NT বিপদগ্রস্ত

বিংশ শতাব্দীতে ভূমি ব্যবহারের পরিবর্তন, মানুষের উপদ্রব এবং শিকারের কারণে এই পাখির সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে গিয়েছিল। বর্তমানে রাশিয়ায় এদের একটি মূল জনসংখ্যা টিকে আছে, তবে মঙ্গোলিয়ায় এরা চরম বিপন্ন। বিদ্যুৎ লাইনের সাথে সংঘর্ষ রোধ এবং কৃত্রিম প্রজনন প্ল্যাটফর্ম তৈরির মাধ্যমে বর্তমানে এদের সংখ্যা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

আকর্ষণীয় তথ্য

  1. ডালমেসিয়ান পেলিকান বিশ্বের অন্যতম ভারী উড়ন্ত পাখি হিসেবে পরিচিত।
  2. এদের ডানার বিস্তার ৩.৫ মিটার পর্যন্ত হতে পারে, যা প্রায় একটি ছোট বিমানের সমান।
  3. প্রজনন ঋতুতে এদের গলার থলির রঙ পরিবর্তিত হয়ে উজ্জ্বল কমলা-লাল হয়ে যায়।
  4. এদের কোনো সুনির্দিষ্ট উপপ্রজাতি নেই, তবে জীবাশ্ম থেকে একটি প্রাচীন উপপ্রজাতির অস্তিত্ব জানা যায়।
  5. এরা মূলত স্বাদুপানির পাখি হলেও মোহনা বা উপকূলীয় অঞ্চলেও এদের দেখা মেলে।

পাখি পর্যবেক্ষকদের জন্য টিপস

  • সঠিক সময়: এদের দেখার সবচেয়ে ভালো সময় হলো প্রজনন ঋতু বা শীতকালীন পরিযানের সময়।
  • স্থান: বড় হ্রদ বা নদীর মোহনায় এদের সন্ধান করুন।
  • সরঞ্জাম: এদের বিশালাকার ডানা ও উড্ডয়ন দেখার জন্য শক্তিশালী দূরবীন ব্যবহার করুন।
  • দূরত্ব বজায় রাখুন: প্রজনন স্থলে এদের বিরক্ত করবেন না, কারণ এরা মানুষের উপস্থিতি পছন্দ করে না।
বিশেষ পরামর্শ: এই পাখিকে তার প্রাকৃতিক পরিবেশে কাছ থেকে এবং স্পষ্টভাবে দেখার জন্য, একটি 8x42 ক্ষমতার দূরবীন (Binoculars) বা টেলিস্কোপ ব্যবহার করার বিশেষ পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
- [এখানে আমাদের প্রস্তাবিত সেরা সরঞ্জামগুলি দেখুন]

উপসংহার

ডালমেসিয়ান পেলিকান প্রকৃতির এক বিস্ময়কর সৃষ্টি। এদের বিশাল আকার এবং রাজকীয় উড্ডয়ন যে কোনো পাখি প্রেমিকের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা। তবে পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে এরা আজ সংকটাপন্ন। আমাদের সচেতনতা এবং যথাযথ সংরক্ষণ পদক্ষেপই পারে এই বিশাল পাখিকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করতে।

Dalmatian Pelican বিতরণ মানচিত্র ও পরিসর

Official Distribution Data provided by
BirdLife International and Handbook of the Birds of the World (2025)

Tag:

Share:

avatar
{blogMain.author}
200 Follower
Follow
{blogMain.author} is a writer who draws. He’s the Bestselling author of “Number of The Year”. Donec vitae tortor efficitur, convallis lelobortis elit.
Subscribe For Daily Newsletter