wire tailed swallow
Hirundo smithii
Last update: 28 Jul 2026Wire Tailed Swallow সম্পর্কিত প্রাথমিক তথ্য
| Scientific Name | Hirundo smithii |
|---|---|
| Status | LC অসংকটাপন্ন |
| Size | 14-14 cm (6-6 inch) |
| Colors |
White
Blue
|
| Type |
Perching Birds
|
| Family | Swallows and martins |
অন্যান্য ভাষায় Wire Tailed Swallow-এর নাম
| bengali | তারলেজা আবাবিল |
|---|---|
| french | Hirondelle à longs brins |
| gujarati | લેસર અબાબીલ |
| kannada | ತಂತಿಬಾಲದ ಕವಲà³à²¤à³‹à²•ೆ |
| malayalam | à´•à´®àµà´ªà´¿à´µà´¾à´²àµ» à´•à´¤àµà´°à´¿à´• |
| marathi | तारवाली पाकोळी, तारवाली à¤à¤¿à¤‚गरी, काडीवाली à¤à¤¿à¤‚गरी |
| nepali | सà¥à¤‡à¤°à¥‹à¤ªà¥à¤šà¥à¤›à¥à¤°à¥‡ गौंथली |
| punjabi | ਤਾਰਪੂੰà¨à¨¾ |
| tamil | கமà¯à®ªà®¿à®µà®¾à®²à¯ தகைவிலான௠|
ভূমিকা
তার-লেজা আবাবিল (Wire-tailed Swallow) হলো আবাবিল পরিবারের একটি ক্ষুদ্র ও অত্যন্ত সুন্দর চটপটে পাখি। এর বৈজ্ঞানিক নাম Hirundo smithii। এই পাখিটি মূলত তার লেজের বিশেষ আকৃতির জন্য পরিচিত। এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশে এদের বিচরণ লক্ষ্য করা যায়।
শারীরিক চেহারা
এই পাখিটি লম্বায় প্রায় ১৪-১৮ সেন্টিমিটার হয়। এদের শরীরের উপরিভাগ উজ্জ্বল নীল রঙের এবং নিচের অংশ ধবধবে সাদা। মাথায় লালচে-বাদামী রঙের একটি টুপি থাকে। এদের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এদের লেজের বাইরের দুটি পালক যা অত্যন্ত লম্বা এবং সরু তারের মতো দেখায়। স্ত্রী পাখিদের লেজের এই 'তার' পুরুষ পাখির তুলনায় ছোট হয়।
বাসস্থান
তার-লেজা আবাবিল সাধারণত জলাশয়ের কাছাকাছি উন্মুক্ত এলাকায় বাস করে। এদের প্রধানত নদী, খাল, হ্রদ এবং চাষাবাদের জমির আশেপাশে দেখা যায়। গ্রীষ্মকালে এদের ভেজা ধানি জমিতেও বিচরণ করতে দেখা যায়। এছাড়া মানুষের তৈরি দালান বা সেতুর আশেপাশেও এরা বসবাস করে।
খাদ্যাভ্যাস
এরা মূলত পতঙ্গভুক পাখি এবং উড়ন্ত অবস্থায় শিকার ধরতে দক্ষ। এদের খাদ্য তালিকায় রয়েছে:
- মাছি (Diptera)
- গুবরে পোকা (Coleoptera)
- বিভিন্ন ধরণের পোকা (Hemiptera)
- প্রজাপতি ও মথ (Lepidoptera)
- মে-ফ্লাই (Mayflies)
প্রজনন এবং বাসা
এরা কাদা দিয়ে বাটির মতো বাসা তৈরি করে। সাধারণত পানির কাছাকাছি খাড়া দেওয়াল, পাহাড়ের খাঁজ বা মানুষের তৈরি দালান ও সেতুর নিচে এরা বাসা বাঁধে। এশিয়ায় এরা সাধারণত ৩ থেকে ৫টি ডিম পাড়ে। অন্যান্য আবাবিল পাখির মতো এরা কলোনি বা দলবদ্ধভাবে বাসা না বেঁধে একাকী থাকতে পছন্দ করে।
আচরণ
এরা অত্যন্ত দ্রুতগামী পাখি এবং ওড়ার সময় পানির খুব কাছাকাছি দিয়ে উড়ে যেতে পছন্দ করে। এরা আঞ্চলিক স্বভাবের হয় এবং নিজেদের বাসার চারপাশ রক্ষা করে। শীতকালে উত্তর ভারত ও পাকিস্তানের পাখিরা দক্ষিণ দিকে পরিযান করে।
সংরক্ষণ অবস্থা - LC অসংকটাপন্ন
প্রকৃতি সংরক্ষণের আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন (IUCN) অনুযায়ী তার-লেজা আবাবিল বর্তমানে 'ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত' (Least Concern) পর্যায়ে রয়েছে। তবে জলাশয় দূষণ ও কীটনাশকের ব্যবহার এদের খাদ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
আকর্ষণীয় তথ্য
- এই পাখির প্রজাতি নাম 'smithii' নরওয়েজীয় উদ্ভিদবিদ ক্রিস্টেন স্মিথের সম্মানে রাখা হয়েছে।
- এদের লেজের তারের মতো অংশটি আসলে অত্যন্ত সরু পালক।
- এশীয় উপপ্রজাতি (H. s. filifera) আফ্রিকান উপপ্রজাতির তুলনায় আকারে বড় হয়।
- এরা ওড়ার সময় বাতাস থেকেই তাদের প্রয়োজনীয় পানি পান করে নেয়।
পাখি পর্যবেক্ষকদের জন্য টিপস
পাখি পর্যবেক্ষকদের জন্য সেরা পরামর্শ হলো কোনো জলাশয় বা পুরনো সেতুর আশেপাশে এদের খোঁজা। এদের দ্রুত ওড়ার কারণে এদের ছবি তোলা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তাই ভালো মানের বাইনোকুলার এবং হাই-স্পিড শাটার ক্যামেরা ব্যবহার করা উচিত।
উপসংহার
উপসংহারে বলা যায়, তার-লেজা আবাবিল আমাদের প্রকৃতির এক অনন্য অলঙ্কার। এদের চমৎকার নীল বর্ণ এবং বিশেষ লেজ এদের অন্য সব পাখি থেকে আলাদা করে তোলে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই পতঙ্গভুক পাখিদের ভূমিকা অপরিসীম।