common myna
Acridotheres tristis
Last update: 27 Jul 2026Common Myna সম্পর্কিত প্রাথমিক তথ্য
| Scientific Name | Acridotheres tristis |
|---|---|
| Status | LC অসংকটাপন্ন |
| Size | 25-25 cm (10-10 inch) |
| Colors |
Brown
Yellow
|
| Type |
Perching Birds
|
| Family | Starlings |
অন্যান্য ভাষায় Common Myna-এর নাম
| assamese | ঘৰ শালিকা |
|---|---|
| bengali | à¦à¦¾à¦¤à¦¶à¦¾à¦²à¦¿à¦• |
| bhojpuri | देसी मैना |
| french | Martin triste |
| gujarati | કાબર, કથà«àª¥àªˆ કાબર |
| hindi | मैना |
| kannada | ಗೊರವಂಕ, ಮೈನಾ |
| malayalam | മൈന |
| marathi | मैना, साळà¥à¤‚की, शाळू |
| nepali | डाङà¥à¤—à¥à¤°à¥‡ सारौं, डाङà¥à¤—à¥à¤°à¥‡ रà¥à¤ªà¥€ |
| oriya | ବଣି |
| punjabi | ਲਾਲੀ |
| sanskrit | कलहपà¥à¤°à¤¿à¤¯à¤¾, सारिका |
| tamil | சாதாரண மைனா |
ভূমিকা
সাধারণ শালিক (Common Myna) এশিয়ার একটি অত্যন্ত পরিচিত পাখি যা স্টার্লিং পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। এটি মূলত দক্ষিণ এশিয়ার আদি নিবাসী হলেও বর্তমানে বিশ্বের অনেক স্থানেই এদের দেখা মেলে। সংস্কৃত এবং প্রাকৃত সাহিত্যে এই পাখির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে, যা ভারতীয় সংস্কৃতিতে এর গভীর প্রভাবের প্রমাণ দেয়।
শারীরিক চেহারা
সাধারণ শালিকের শরীর বাদামী এবং মাথা কালো রঙের হয়ে থাকে। এদের চোখের পিছনে একটি খালি হলুদ চামড়ার অংশ থাকে যা এদের সহজেই চিনতে সাহায্য করে। এদের ঠোঁট এবং পা উজ্জ্বল হলুদ বর্ণের। ডানার নিচের দিকে সাদা ছোপ থাকে যা ওড়ার সময় দৃশ্যমান হয়। স্ত্রী ও পুরুষ পাখি দেখতে প্রায় একই রকম এবং সাধারণত এদের জোড়ায় দেখা যায়।
বাসস্থান
এই পাখিটি মূলত বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান এবং শ্রীলঙ্কা সহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বাস করে। এরা শহর এবং শহরতলীর পরিবেশে খুব চমৎকারভাবে মানিয়ে নিয়েছে। গাছের কোটর, দেয়ালের গর্ত বা মানুষের তৈরি স্থাপনায় এরা বাসা বাঁধতে পছন্দ করে।
খাদ্যাভ্যাস
সাধারণ শালিক একটি সর্বভুক পাখি। এদের খাদ্যতালিকায় বৈচিত্র্য লক্ষ্য করা যায়:
- পোকামাকড়: এরা বিশেষ করে ঘাসফড়িং খেতে পছন্দ করে।
- ফল ও বীজ: বিভিন্ন ধরনের ফল এবং শস্যদানা এদের প্রিয়।
- অন্যান্য: ছোট সরীসৃপ, মাকড়সা এবং মানুষের ফেলে দেওয়া খাবারের উচ্ছিষ্ট।
প্রজনন এবং বাসা
শালিক সাধারণত সারা জীবনের জন্য জোড়া বাঁধে। এরা গাছের গর্তে বা দালানের ফোকরে বাসা তৈরি করে। বাসার উপকরণ হিসেবে এরা ডালপালা, শিকড় এবং অনেক সময় মানুষের ফেলে দেওয়া টিস্যু পেপার বা টিনের ফয়েল ব্যবহার করে। এরা সাধারণত ৬টি পর্যন্ত ডিম পাড়ে। কখনো কখনো এশীয় কোকিল এদের বাসায় ডিম পেড়ে যায়।
আচরণ
এরা অত্যন্ত সামাজিক এবং কিছুটা আক্রমণাত্মক স্বভাবের পাখি। অনেক সময় এরা অন্য পাখির বাসা দখল করে নেয় এবং আগের ছানাগুলোকে বের করে দেয়। এদের হাঁটার ভঙ্গি বেশ স্বতন্ত্র—মাঝে মাঝে লাফিয়ে চলে। এরা ফুলের পরাগায়নেও (যেমন শিমুল ও পলাশ) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সংরক্ষণ অবস্থা - LC অসংকটাপন্ন
সাধারণ শালিক বর্তমানে বিপন্ন প্রজাতির তালিকায় নেই। এদের বংশবৃদ্ধির হার এবং অভিযোজন ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি হওয়ায় এরা প্রকৃতিতে বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে। তবে কিছু দেশে এদের আক্রমণাত্মক প্রজাতি হিসেবে গণ্য করা হয়।
আকর্ষণীয় তথ্য
- এদের বৈজ্ঞানিক নাম 'Acridotheres' এর অর্থ হলো 'ঘাসফড়িং শিকারী'।
- শালিক সাপের খোলস দিয়ে বাসা তৈরি করতে পছন্দ করে।
- এরা মানুষের কণ্ঠস্বর বা অন্যান্য শব্দ নকল করতে পারে।
- এরা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে হিমালয়ের পাদদেশ পর্যন্ত সব উচ্চতায় বাস করতে পারে।
পাখি পর্যবেক্ষকদের জন্য টিপস
পাখি পর্যবেক্ষকদের জন্য শালিক পর্যবেক্ষণ করা সবচেয়ে সহজ। ভোরে বা পড়ন্ত বিকেলে যেকোনো খোলা মাঠ বা বাগানে এদের বিচরণ লক্ষ্য করা যায়। এদের বিভিন্ন ধরনের ডাক এবং সামাজিক আচরণ পর্যবেক্ষণ করা বেশ আনন্দদায়ক।
উপসংহার
পরিশেষে, সাধারণ শালিক আমাদের পরিবেশের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এরা যেমন ক্ষতিকর পোকামাকড় দমনে সাহায্য করে, তেমনি প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমাদের আশেপাশে থাকা এই বন্ধুসুলভ পাখিটির প্রতি যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন।
Tag: