brahminy starling brahminy myna
Sturnia pagodarum
Last update: 26 Jul 2026Brahminy Starling Brahminy Myna সম্পর্কিত প্রাথমিক তথ্য
| Scientific Name | Sturnia pagodarum |
|---|---|
| Status | LC অসংকটাপন্ন |
| Size | 21-21 cm (8-8 inch) |
| Colors |
Orange
Black
|
| Type |
Perching Birds
|
| Family | Starlings |
অন্যান্য ভাষায় Brahminy Starling Brahminy Myna-এর নাম
| bengali | বামà§à¦¨à¦¿ কাঠশালিক |
|---|---|
| bhojpuri | पूहई, बà¥à¤°à¤¾à¤¹à¥à¤®à¤£à¥€ मैना |
| gujarati | શà«àª¯àª¾àª®àª¶àª¿àª° બબà«àª¬àª¾àªˆ, બાહà«àª®àª£à«€ મેના |
| hindi | कालासिर मैना, चनà¥à¤¨à¤¾ हà¥à¤¡à¥€ |
| kannada | ಕರಿತಲೆ ಕಬà³à²¬à²•à³à²•ಿ |
| malayalam | à´•à´°à´¿à´¨àµà´¤à´²à´šàµà´šà´¿à´•àµà´•ാളി |
| marathi | बà¥à¤°à¤¾à¤¹à¥à¤®à¤£à¥€ मैना, à¤à¤¾à¤‚गपाडी मैना, पोपई मैना |
| nepali | जà¥à¤°à¥‡ सारौà¤, जà¥à¤°à¥‡ रà¥à¤ªà¥€ |
| punjabi | ਬà©à¨°à¨¾à¨¹à¨®à¨£à©€ ਮੈਨਾ |
| sanskrit | शङà¥à¤•रा |
ভূমিকা
বামুনি কাঠশালিক (Brahminy Starling), যার বৈজ্ঞানিক নাম Sturnia pagodarum, ভারতীয় উপমহাদেশের একটি অত্যন্ত পরিচিত এবং দৃষ্টিনন্দন পাখি। এটি শালিক পরিবারের (Sturnidae) অন্তর্ভুক্ত। এদের আকর্ষণীয় ঝুঁটি এবং চমৎকার রঙের বিন্যাসের জন্য এরা সহজেই নজর কাড়ে।
শারীরিক চেহারা
বামুনি কাঠশালিকের দৈর্ঘ্য সাধারণত ২১ সেন্টিমিটার হয়। এদের শরীরের রঙ হালকা ঘিয়ে বা বাফ রঙের। মাথার ওপর একটি উজ্জ্বল কালো টুপি এবং একটি লম্বা ঝুঁটি থাকে। এদের ঠোঁট হলুদ রঙের হলেও গোড়ার দিকটি নীলচে। চোখের চারপাশে নীল রঙের চামড়ার একটি আভা দেখা যায়। পুরুষ পাখির ঝুঁটি এবং ঘাড়ের পালক স্ত্রী পাখির তুলনায় কিছুটা বেশি লম্বা ও স্পষ্ট হয়। অপ্রাপ্তবয়স্ক পাখিদের রঙ কিছুটা মলিন এবং মাথার টুপি বাদামী রঙের হয়।
বাসস্থান
এই পাখিটি মূলত শুষ্ক খোলা এলাকা, নিচু জমি এবং পর্ণমোচী বনে বাস করতে পছন্দ করে। এদের প্রায়ই ঝোপঝাড়, চাষের জমি এবং মানুষের বসতির আশেপাশে দেখা যায়। বিশেষ করে জলাশয়ের কাছাকাছি এলাকাগুলোতে এদের বিচরণ বেশি লক্ষ্য করা যায়।
খাদ্যাভ্যাস
বামুনি কাঠশালিক মূলত সর্বভুক। এদের প্রধান খাবারের তালিকায় রয়েছে:
- পোকামাকড়: ঘাসফড়িং, উইপোকা, প্রজাপতি, মথ, শুঁয়োপোকা এবং বিটল।
- অন্যান্য প্রাণী: মাকড়সা, শামুক এবং কেঁচো।
- উদ্ভিদজাত খাবার: বিভিন্ন ধরনের ফল, বেরি, ফুলের অংশ এবং মধু।
প্রজনন এবং বাসা
এরা সাধারণত গাছের কোটরে বা পুরনো দালানের ফোকরে বাসা তৈরি করে। প্রজনন মৌসুমে এরা দলবদ্ধভাবে বা জোড়ায় থাকতে পছন্দ করে এবং বাসার ভেতরে ঘাস ও পালক দিয়ে আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করে।
আচরণ
এরা বেশ চঞ্চল এবং সামাজিক পাখি। এদের প্রায়ই ছোট দলে খাবার খুঁজতে দেখা যায়। এরা বিভিন্ন ধরনের শব্দ করতে পারে এবং অন্যান্য পাখির ডাক নকল করার ক্ষমতা রাখে। এদের ওড়ার ভঙ্গি অত্যন্ত দ্রুত এবং সাবলীল।
সংরক্ষণ অবস্থা - LC অসংকটাপন্ন
আইইউসিএন (IUCN) এর লাল তালিকা অনুযায়ী, বামুনি কাঠশালিক 'ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত' (Least Concern) হিসেবে বিবেচিত। এদের সংখ্যা বর্তমানে স্থিতিশীল এবং এরা বিভিন্ন পরিবেশে মানিয়ে নিতে সক্ষম।
আকর্ষণীয় তথ্য
- এদের বৈজ্ঞানিক নাম pagodarum রাখা হয়েছে কারণ দক্ষিণ ভারতে এদের প্রায়ই মন্দির বা প্যাগোডার আশেপাশে দেখা যেত।
- উড়ার সময় এদের লেজের বাইরের দিকের পালকের সাদা অংশ স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়।
- পুরুষ পাখির ঝুঁটি স্ত্রী পাখির চেয়ে অনেক বেশি প্রকট, যা এদের লিঙ্গ নির্ধারণে সাহায্য করে।
পাখি পর্যবেক্ষকদের জন্য টিপস
পাখি পর্যবেক্ষকদের জন্য কিছু পরামর্শ:
- সকাল এবং বিকেলের দিকে খোলা মাঠ বা বাগানে এদের দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
- এদের ডাক অনুকরণ করার চেষ্টা করলে অনেক সময় এরা কৌতূহলী হয়ে কাছে আসে।
- এদের ছবি তোলার জন্য শান্তভাবে অপেক্ষা করুন, কারণ এরা খুব দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে।
উপসংহার
বামুনি কাঠশালিক আমাদের প্রকৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এদের কীটপতঙ্গ দমনের ক্ষমতা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সহায়তা করে। এই সুন্দর পাখিটি সংরক্ষণ করা এবং এদের বাসস্থান রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
Tag: