প্যাসিফিক গোল্ডেন প্লোভার (বৈজ্ঞানিক নাম: Pluvialis fulva) হলো এক প্রজাতির অত্যন্ত চমৎকার এবং দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া পরিযায়ী পাখি। এরা মূলত ওয়েডার বা জলচর পাখির অন্তর্ভুক্ত। এদের দীর্ঘ দূরত্বের অভিবাসন ক্ষমতা পাখি গবেষকদের কাছে এক বিস্ময়।
Pluvialis fulva
| Scientific Name | Pluvialis fulva |
|---|---|
| Status | LC অসংকটাপন্ন |
| Size | 23-26 cm (9-10 inch) |
| Colors |
Gold
Black
|
| Type | Waders |
প্যাসিফিক গোল্ডেন প্লোভার (বৈজ্ঞানিক নাম: Pluvialis fulva) হলো এক প্রজাতির অত্যন্ত চমৎকার এবং দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া পরিযায়ী পাখি। এরা মূলত ওয়েডার বা জলচর পাখির অন্তর্ভুক্ত। এদের দীর্ঘ দূরত্বের অভিবাসন ক্ষমতা পাখি গবেষকদের কাছে এক বিস্ময়।
এই পাখিটি লম্বায় সাধারণত ২৩-২৬ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। প্রজনন ঋতুতে এদের শরীরে সোনালি (Gold) এবং কালো (Black) রঙের অপূর্ব মিশ্রণ দেখা যায়, যা এদের ছদ্মবেশে সাহায্য করে। এদের ডানা ও পিঠের অংশে সোনালি ছোপযুক্ত পালক থাকে, যা এদের অনন্য করে তোলে।
এরা সাধারণত খোলা মাঠ, সৈকত, জলাভূমি এবং তুন্দ্রা অঞ্চলে বসবাস করতে পছন্দ করে। পরিযায়ী পাখি হিসেবে এরা সাইবেরিয়া থেকে শুরু করে দক্ষিণ এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় বিচরণ করে।
প্যাসিফিক গোল্ডেন প্লোভারের খাদ্যতালিকায় প্রধানত থাকে:
এদের প্রজনন ঋতু সাধারণত বসন্তকালে শুরু হয়। এরা মাটির ওপর অগভীর গর্ত করে বাসা তৈরি করে এবং সেখানে ৩-৪টি ডিম পাড়ে। পুরুষ এবং স্ত্রী উভয় পাখিই ডিমে তা দেওয়ার কাজে অংশ নেয়।
এই পাখিগুলো অত্যন্ত সতর্ক এবং দ্রুত দৌড়াতে পারদর্শী। এরা দলবদ্ধভাবে থাকতে পছন্দ করে এবং দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার সময় অসামান্য ধৈর্য ও শক্তির পরিচয় দেয়।
আইইউসিএন (IUCN)-এর তথ্য অনুযায়ী, প্যাসিফিক গোল্ডেন প্লোভার বর্তমানে 'Least Concern' বা ন্যূনতম উদ্বেগজনক হিসেবে তালিকাভুক্ত। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এদের আবাসস্থল কিছুটা হুমকির মুখে পড়ছে।
এই পাখিদের দেখার জন্য দূরবীন (Binoculars) ব্যবহার করা জরুরি, কারণ এরা খুব দ্রুত নড়াচড়া করে। এদের শান্ত প্রকৃতি পর্যবেক্ষণের জন্য জলাভূমির পাশে ভোরে অবস্থান করা সবচেয়ে ভালো সময়।
প্যাসিফিক গোল্ডেন প্লোভার প্রকৃতির এক অনন্য সৃষ্টি। এদের বৈচিত্র্যময় জীবনযাত্রা এবং পরিযায়ী স্বভাব প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য সবসময়ই গবেষণার একটি আকর্ষণীয় বিষয়।
Official Distribution Data provided by BirdLife International and Handbook of the Birds of the World (2025)