southern coucal
Centropus sinensis
Last update: 07 Feb 2026Southern Coucal সম্পর্কিত প্রাথমিক তথ্য
| Scientific Name | Centropus sinensis |
|---|---|
| Status | LC অসংকটাপন্ন |
| Size | 48-48 cm (19-19 inch) |
| Colors |
Orange
Blue
|
| Type |
Perching Birds
|
| Family | Cuckoos |
অন্যান্য ভাষায় Southern Coucal-এর নাম
| assamese | কুকুহা, হুদু চৰাই |
|---|---|
| bengali | বড় কুবো |
| bhojpuri | महाकुंभ, कुकवा |
| french | Grand Coucal, Coucal chinois |
| gujarati | કૂકડિયો કુંભાર |
| hindi | महोख, महोक कूक |
| kannada | ಕೆಂಬೂತ |
| malayalam | ചെമ്പോത്ത് |
| marathi | भारद्वाज, सोनकावळा, कुक्कुटकुंभा, कुंभारकावळा, सुलक्षणी, नपिता, चमारकुकडी, कुंभार्या (आदिवासी भाग) |
| nepali | ढोडे गोकुल |
| oriya | ଡାହୁକ |
| portuguese | cucal-chinês, cucal-de-maior, cucal-maior |
| punjabi | ਕਮਾਦੀ ਕੁੱਕੜ |
| sanskrit | कुक्कुभ |
| spanish | cucal chino, cucal de China, cucal de Greater |
| tamil | செம்போத்து, செம்பகம் |
| telugu | జెముడుకాకి |
ভূমিকা
দক্ষিণী কানা কুঁয়ো (Southern Coucal), যার বৈজ্ঞানিক নাম Centropus (sinensis) parroti, কুক্কু (Cuckoo) পরিবারের অন্তর্ভুক্ত একটি বড় আকারের পাখি। এটি সাধারণত দক্ষিণ ভারতের উপদ্বীপ অঞ্চলে দেখা যায়। যদিও এরা কোকিল প্রজাতির, তবে এরা নিজেদের বাসা নিজেরাই তৈরি করে এবং স্বভাবে বেশ আলাদা হয়।
শারীরিক চেহারা
এই পাখিটি প্রায় ৪৮ সেন্টিমিটার লম্বা হয়। এর মাথা সম্পূর্ণ কালো এবং শরীরের ওপরের অংশ ও নিচের অংশ বেগুনি আভাযুক্ত চকচকে কালো রঙের। এদের পিঠ এবং ডানাগুলো খয়েরি বা বাদামী (chestnut brown) রঙের হয়ে থাকে। এই পাখির সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো এর রুবি লাল রঙের চোখ। অপ্রাপ্তবয়স্ক পাখিদের গায়ের রঙ কিছুটা ফ্যাকাশে হয় এবং শরীরে সাদাটে দাগ দেখা যায়।
বাসস্থান
দক্ষিণী কানা কুঁয়ো সাধারণত খোলা বনভূমি, ঘন ঝোপঝাড়, তৃণভূমি এবং বসতবাড়ির বাগানের ঘন ঝোপে থাকতে পছন্দ করে। এরা খুব বেশি উঁচুতে ওড়ার চেয়ে মাটির কাছাকাছি বা ঘন আচ্ছাদনের মধ্যে থাকতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।
খাদ্যাভ্যাস
- পতঙ্গ: বড় আকারের কীটপতঙ্গ এবং শুঁয়োপোকা।
- ছোট প্রাণী: ইঁদুরের বাচ্চা, গিরগিটি এবং শামুক।
- অন্যান্য: পাখির ডিম, বিভিন্ন ধরণের ফল এবং বীজ।
প্রজনন এবং বাসা
এরা সাধারণত ঘন ঝোপের গভীরে ডালপালা এবং পাতা দিয়ে বড় আকারের গোল বাসা তৈরি করে। অন্যান্য কোকিলের মতো এরা অন্য পাখির বাসায় ডিম পাড়ে না, বরং নিজেরাই ছানাদের লালন-পালন করে। স্ত্রী পাখিটি পুরুষ পাখির তুলনায় আকারে কিছুটা বড় হয়।
আচরণ
এই পাখিগুলো বেশ লাজুক প্রকৃতির এবং সচরাচর একা বা জোড়ায় বিচরণ করতে দেখা যায়। এদের ডাক বেশ গম্ভীর এবং অনেক দূর থেকে শোনা যায়। এরা খুব ভালো উড়তে পারে না, তাই বেশিরভাগ সময় ঝোপঝাড়ের মধ্যে এক ডাল থেকে অন্য ডালে লাফিয়ে বা হেঁটে খাবার সংগ্রহ করে।
সংরক্ষণ অবস্থা - LC অসংকটাপন্ন
বর্তমানে দক্ষিণী কানা কুঁয়ো বিপন্ন প্রজাতির তালিকায় নেই। তবে বনভূমি ধ্বংস এবং প্রাকৃতিক আবাসস্থল কমে যাওয়ার ফলে এদের সংখ্যা নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় হ্রাস পাচ্ছে।
আকর্ষণীয় তথ্য
- দক্ষিণী কানা কুঁয়োর চোখ উজ্জ্বল লাল রঙের, যা এদের আলাদা পরিচিতি দেয়।
- এরা কোকিল গোত্রের হলেও পরজীবী নয়, অর্থাৎ এরা নিজেদের বাসা নিজেরাই বানায়।
- স্ত্রী এবং পুরুষ পাখির দেখতে একই রকম হলেও স্ত্রী পাখি আকারে কিছুটা বড় হয়।
- এদের ডাক অনেকটা 'কুপ-কুপ-কুপ' শব্দের মতো শোনায়।
পাখি পর্যবেক্ষকদের জন্য টিপস
পাখি প্রেমীদের জন্য টিপস হলো, খুব ভোরে অথবা বিকেলের দিকে ঘন ঝোপঝাড়ের পাশে এদের সন্ধান করুন। এদের গম্ভীর ডাক শুনে এদের অবস্থান শনাক্ত করা সহজ হয়। এরা সাধারণত মাটির কাছাকাছি খাবার খুঁজে বেড়ায়, তাই নিচের দিকে নজর রাখা জরুরি।
উপসংহার
দক্ষিণী কানা কুঁয়ো আমাদের বাস্তুসংস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ক্ষতিকারক পতঙ্গ এবং ছোট ছোট প্রাণী খেয়ে এরা প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করে। এই সুন্দর পাখিটির আবাসস্থল রক্ষা করা আমাদের পরিবেশের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
Tag: