Yellow-eyed Pigeon

Columba eversmanni
  • Home
  • Yellow-eyed Pigeon Details
iconAbout Yellow-eyed Pigeon

Yellow-eyed Pigeon সম্পর্কে মৌলিক তথ্য

Yellow-eyed Pigeon সম্পর্কে মৌলিক তথ্য

Scientific NameColumba eversmanni
Status VU ঝুঁকিপূর্ণ
Size28-30 cm (11-12 inch)
Colors
Grey
Yellow
TypePerching Birds

স্থানীয় ভাষায় নাম

bengali: হলদে-চোখ ঘুঘু
french: Pigeon d'Eversmann, Pigeon à œil jaune
hindi: पीली आँख वाला कबूतर
malayalam: മഞ്ഞക്കണ്ണൻ പ്രാവ്
marathi: पिवळ्या डोळ्यांचे कबूतर
nepali: पहेँलो आँखा भएको परेवा
spanish: Paloma de Eversmann

ভূমিকা

ইয়েলো-আইড পিজিয়ন (বৈজ্ঞানিক নাম: Columba eversmanni) হলো কবুতর পরিবারের একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং বিরল প্রজাতির পাখি। এটি মূলত মধ্য এশিয়ার শুষ্ক অঞ্চলে বসবাসকারী একটি পরিযায়ী পাখি। এদের স্বতন্ত্র হলুদ চোখের রঙের কারণে এদের এই নামকরণ করা হয়েছে।

শারীরিক চেহারা

এই পাখিটি লম্বায় সাধারণত ২৮-৩০ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। এদের শরীরের প্রধান রঙ ধূসর, যা তাদের পরিবেশের সাথে মিশে থাকতে সাহায্য করে। এদের চোখের চারপাশের বলয় বা আই-রিং এবং চোখের মণি উজ্জ্বল হলুদ বর্ণের হয়, যা দূর থেকে সহজেই শনাক্ত করা যায়।

বাসস্থান

এরা মূলত খোলা প্রান্তর, পাথুরে মরুভূমি, এবং জনবসতিপূর্ণ এলাকার কাছাকাছি থাকা পুরনো দালান বা ধ্বংসাবশেষে বসবাস করতে পছন্দ করে। এরা শীতকালে তুলনামূলক উষ্ণ অঞ্চলে পরিযান করে থাকে।

খাদ্যাভ্যাস

ইয়েলো-আইড পিজিয়ন প্রধানত শস্যভোজী। এদের খাদ্যতালিকায় থাকে:

  • বিভিন্ন ধরণের বুনো বীজ
  • ফসলের দানা
  • মাটিতে পড়ে থাকা ছোট ছোট শস্যকণা

প্রজনন এবং বাসা

এরা সাধারণত পাথরের ফাটলে, গুহায় বা পরিত্যক্ত ইমারতের দেয়ালে বাসা তৈরি করে। প্রজনন ঋতুতে এরা দলবদ্ধভাবে থাকতে পছন্দ করে এবং ছোট ছোট কলোনি তৈরি করে বংশবিস্তার করে।

আচরণ

এই পাখিগুলো বেশ লাজুক প্রকৃতির এবং সাধারণত ছোট দলে ঘুরে বেড়ায়। এরা অত্যন্ত দক্ষ উড্ডয়নকারী এবং দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। দিনের বেলা এরা খাবার খোঁজে এবং সন্ধ্যার দিকে নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে আসে।

সংরক্ষণ অবস্থা

বর্তমানে আইইউসিএন (IUCN) রেড লিস্ট অনুযায়ী ইয়েলো-আইড পিজিয়নকে 'বিপদগ্রস্ত' (Vulnerable) হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। আবাসস্থল ধ্বংস এবং শিকারের কারণে এদের সংখ্যা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে।

আকর্ষণীয় তথ্য

  1. এদের চোখের উজ্জ্বল হলুদ রঙ অন্য সাধারণ কবুতরের থেকে এদের আলাদা করে তোলে।
  2. এরা অত্যন্ত দীর্ঘ পথ পরিযান করতে সক্ষম।
  3. মানুষের কাছাকাছি বসতি গড়লেও এরা মানুষের থেকে বেশ দূরত্ব বজায় রেখে চলে।

পাখি পর্যবেক্ষকদের জন্য টিপস

আপনি যদি এই পাখিটি পর্যবেক্ষণ করতে চান, তবে অবশ্যই বাইনোকুলার ব্যবহার করুন এবং তাদের বিরক্ত করবেন না। খোলা প্রান্তরে বা পাথুরে এলাকায় ভোরবেলা এদের খোঁজা সবচেয়ে কার্যকর।

উপসংহার

ইয়েলো-আইড পিজিয়ন প্রকৃতির এক অনন্য নিদর্শন। আমাদের উচিত এই বিপন্ন প্রজাতিকে রক্ষা করার জন্য তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণে সচেতন হওয়া।

বিতরণ মানচিত্র ও এলাকা

Official Distribution Data provided by
BirdLife International and Handbook of the Birds of the World (2025)

pigeon পরিবারের আরও প্রজাতি দেখুন

Yellow-eyed Pigeon সম্পর্কে প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQs)

The bengali name for Yellow-eyed Pigeon is হলদে-চোখ ঘুঘু.

The hindi name for Yellow-eyed Pigeon is पीली आँख वाला कबूतर.

The malayalam name for Yellow-eyed Pigeon is മഞ്ഞക്കണ്ണൻ പ്രാവ്.

The marathi name for Yellow-eyed Pigeon is पिवळ्या डोळ्यांचे कबूतर.

The nepali name for Yellow-eyed Pigeon is पहेँलो आँखा भएको परेवा.

The french name for Yellow-eyed Pigeon is Pigeon d'Eversmann, Pigeon à œil jaune.

The spanish name for Yellow-eyed Pigeon is Paloma de Eversmann.