eurasian collared dove
Streptopelia decaocto
Last update: 18 Jan 2026Eurasian Collared Dove সম্পর্কিত প্রাথমিক তথ্য
| Scientific Name | Streptopelia decaocto |
|---|---|
| Status | LC অসংকটাপন্ন |
| Size | 32-32 cm (13-13 inch) |
| Colors |
Brown
Black
|
| Type |
Upland Ground Birds
|
| Family | Pigeons, Doves |
অন্যান্য ভাষায় Eurasian Collared Dove-এর নাম
| assamese | কপৌ চৰাই, ধà§à¦¸à§° কপৌ |
|---|---|
| bengali | ইউরেশীয় কণà§à¦ ীঘà§à¦˜à§ |
| bhojpuri | पणà¥à¤¡à¥à¤•, घेघवा |
| french | Tourterelle turque |
| gujarati | ધોળ હોલો |
| hindi | ढोर फाखà¥à¤¤à¤¾ |
| kannada | ದೊಡà³à²¡ ಗà³à²¬à³à²¬à²šà³à²šà²¿, ಕಪà³à²ªà³ ಕà³à²¤à³à²¤à²¿à²—ೆಯ ಪಾರಿವಾಳ |
| malayalam | പൊടàµà´Ÿàµ» ചെങàµà´™à´¾à´²à´¿ |
| marathi | पठाणी होला, कंठी होला, रान होला, पिठोळ होला |
| nepali | कणà¥à¤ े ढà¥à¤•à¥à¤° |
| oriya | ଘàଘà, କାବàà¬°à€ à¬˜àଘà |
| portuguese | Rola-turca |
| punjabi | ਗਾਨੀ ਵਾਲੀ ਘà©à©±à¨—à©€ |
| sanskrit | कपोत, कपोतक |
| spanish | Tórtola turca, Tórtola de collar |
| tamil | சினà¯à®©à®ªà¯ பà¯à®±à®¾, களà¯à®³à®¿à®ªà¯à®ªà¯à®±à®¾ |
| telugu | à°®à±à°‚తపిచà±à°šà±à°•, పెదà±à°¦ à°—à±à°µà±à°µ |
ভূমিকা
ইউরেশীয় কলার্ড ঘুঘু (Streptopelia decaocto), যা কলার্ড ঘুঘু নামেও পরিচিত, একটি সুন্দর এবং অভিযোজনক্ষম পাখি প্রজাতি। এটি মূলত ইউরোপ ও এশিয়ার স্থানীয় হলেও, বর্তমানে উত্তর আমেরিকাতেও এর বিস্তার ঘটেছে। এর স্বতন্ত্র রঙ এবং শান্ত স্বভাবের জন্য এটি পাখিপ্রেমীদের কাছে বেশ পরিচিত।
শারীরিক চেহারা
ইউরেশীয় কলার্ড ঘুঘু মাঝারি আকারের একটি পাখি, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৩২-৩২ সেমি হয়। এর শরীরের রঙ মূলত বাদামী এবং কালো রঙের মিশ্রণ। ঘাড়ের পেছনে একটি স্বতন্ত্র কালো কলার বা ব্যান্ড থাকে, যা এর নামের উৎস। এর লেজ দীর্ঘ এবং ডানার প্রান্তগুলি গাঢ় রঙের হয়।
বাসস্থান
এই ঘুঘু বিভিন্ন ধরনের পরিবেশে বসবাস করতে পারে। এটি সাধারণত শহর এবং বড় শহরগুলিতে, বিশেষ করে শহুরে উদ্যান এবং বাগানগুলিতে দেখা যায়। কিছু দেশে, এটি বিক্ষিপ্ত গাছ সহ আধা-মরুভূমি অঞ্চল, মিশ্র ঝোপঝাড় এবং ফলের বাগানগুলিতেও বিচরণ করে। মানুষের বসতির কাছাকাছি থাকতে এরা পছন্দ করে।
খাদ্যাভ্যাস
ইউরেশীয় কলার্ড ঘুঘু মূলত শস্য এবং ঘাসের বীজ খেয়ে থাকে। তবে, এটি কুঁড়ি, ফল, বেরি, পোকামাকড় এবং অন্যান্য ছোট অমেরুদণ্ডী প্রাণীও খায়। এরা সাধারণত মাটিতে খাবার সংগ্রহ করে, তবে ঝোপঝাড় থেকে বেরি বা ফল নিতে ছোট উড়ানও দিতে পারে।
প্রজনন এবং বাসা
ইউরেশীয় কলার্ড ঘুঘু সাধারণত গাছের ডালে বা ঝোপঝাড়ে বাসা তৈরি করে। এদের বাসা তুলনামূলকভাবে সাধারণ কাঠির তৈরি হয়। স্ত্রী ঘুঘু সাধারণত ২-৩টি ডিম পাড়ে এবং বাবা-মা উভয়েই ডিমে তা দেয় ও বাচ্চাদের লালন-পালন করে। এরা বছরের বিভিন্ন সময়ে প্রজনন করতে পারে, যা এদের দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির একটি কারণ।
আচরণ
ইউরেশীয় কলার্ড ঘুঘু শান্ত এবং সামাজিক পাখি। এরা সাধারণত জোড়ায় বা ছোট দলে বিচরণ করে। এদের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এরা একে অপরের সাথে দৃঢ় সম্পর্ক তৈরি করে এবং প্রায়শই আজীবন সঙ্গী থাকে। এদের ডাক একটি পরিচিত "হু-হু-হুপ" শব্দ যা দূর থেকে শোনা যায়। এরা মানুষের কাছাকাছি থাকতে অভ্যস্ত এবং প্রায়শই বাড়ির উঠোন বা পার্কে খাবার খুঁজতে দেখা যায়।
সংরক্ষণ অবস্থা - LC অসংকটাপন্ন
ইউরেশীয় কলার্ড ঘুঘু IUCN রেড লিস্টে ২০১৪ সাল থেকে 'Least Concern' (ন্যূনতম উদ্বেগ) হিসাবে তালিকাভুক্ত হয়েছে। এর বিশাল বৈশ্বিক পরিসর এবং ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা প্রবণতার কারণে এটি বর্তমানে বিপন্ন প্রজাতির তালিকায় নেই।
আকর্ষণীয় তথ্য
- ইউরেশীয় কলার্ড ঘুঘু ইউরোপ ও এশিয়ার স্থানীয় প্রজাতি হলেও, ২০ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে এটি উত্তর আমেরিকায় প্রবর্তিত হয় এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
- এর নামের উৎস হলো ঘাড়ের পেছনের কালো কলারের মতো চিহ্ন।
- পাখিপালনেও এদের রাখা হয় এবং এরা একে অপরের সাথে খুবই শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে তোলে।
- এরা দ্রুত প্রজনন করে এবং বিভিন্ন পরিবেশে মানিয়ে নিতে পারে, যা এদের জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে।
- এদের ডাক একটি ছন্দময় তিন-শব্দের গুঞ্জন, যা সহজেই চেনা যায়।
পাখি পর্যবেক্ষকদের জন্য টিপস
পাখিপ্রেমীরা ইউরেশীয় কলার্ড ঘুঘুকে শহর, বাগান বা পার্কে সহজেই দেখতে পাবেন। এদের শান্ত স্বভাবের কারণে এরা মানুষের কাছাকাছি আসে। এদেরকে আকর্ষণ করতে আপনার বাগানে শস্যের বীজ বা পাখির খাবার রাখতে পারেন। এদের ডাক শুনলে সহজেই এদের উপস্থিতি বুঝতে পারবেন। এদের জোড়ার আচরণ এবং খাবার সংগ্রহের পদ্ধতি পর্যবেক্ষণ করা খুবই আকর্ষণীয় হতে পারে।
উপসংহার
ইউরেশীয় কলার্ড ঘুঘু একটি অসাধারণ পাখি প্রজাতি যা তার অভিযোজন ক্ষমতা, শান্ত স্বভাব এবং আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। এর ব্যাপক বিস্তার এবং স্থিতিশীল জনসংখ্যা এটিকে প্রকৃতির একটি সফল উদাহরণে পরিণত করেছে। শহর থেকে শুরু করে গ্রামীণ পরিবেশ পর্যন্ত, এই ঘুঘু আমাদের চারপাশে তার উপস্থিতি জানান দিয়ে চলেছে।