pallass fish eagle
Haliaeetus leucoryphus
Last update: 29 Jul 2026Pallass Fish Eagle সম্পর্কিত প্রাথমিক তথ্য
| Scientific Name | Haliaeetus leucoryphus |
|---|---|
| Status | EN বিপন্ন |
| Size | 76-84 cm (30-33 inch) |
| Colors |
Black
Brown
|
| Type |
Birds of Prey
|
| Family | Hawks, Eagles |
অন্যান্য ভাষায় Pallass Fish Eagle-এর নাম
| assamese | কà§à§°à§à§±à¦¾ |
|---|---|
| bengali | কà§à¦¡à¦¼à¦¾ |
| french | Pygargue de Pallas |
| gujarati | મતà«àª¸à«àª¯ ગરà«àª¡, પલાસનો માછીમાર |
| hindi | मछीमार चील, सà¥à¤²à¥‡à¤®à¤¾à¤¨à¥€ ईगल |
| kannada | ಪಲà³à²²à²¾ ಮೀನೠಗರà³à²¡, ಬೂದà³à²¤à²²à³†à²¯ ಮೀನೠಗರà³à²¡ |
| malayalam | പലàµà´²à´¾à´¸àµ കടൽപàµà´ªà´°àµà´¨àµà´¤àµ, മീൻപരàµà´¨àµà´¤àµ |
| marathi | मतà¥à¤¸à¥à¤¯à¤—रà¥à¤¡ |
| nepali | बोकà¥à¤¸à¥€ चील |
| oriya | କàରାଳ, ମାଛରଙàକା ଇଗଲ |
| portuguese | Ãguia-pescadora-de-pallas, Ãguia-de-pallas |
| punjabi | ਮੱਛੀ ਮਾਰ ਬਾਜ਼, ਦਰਿਆਈ ਬਾਜ਼ |
| sanskrit | कोकणद, चकà¥à¤°à¤µà¤¾à¤• |
| spanish | Pigargo de Pallas, Pigargo de Pallás |
| tamil | பலாச௠மீன௠கழà¯à®•à¯, பலà¯à®²à®¾à®šà¯ மீன௠கழà¯à®•௠|
| telugu | కొలనౠగరà±à°¡, మతà±à°¸à±à°¯ à°—à°°à±à°¡ |
ভূমিকা
ভূমিকা
পালস ফিশ ইগল (Haliaeetus leucoryphus), যা স্থানীয়ভাবে অনেকের কাছে কুড়া নামে পরিচিত, মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার জলাভূমি অঞ্চলের একটি রাজকীয় শিকারি পাখি। এটি একটি বিশালাকার ঈগল যা তার স্বতন্ত্র বাদামী রঙ এবং শিকারী মেজাজের জন্য পরিচিত। কাস্পিয়ান সাগর থেকে শুরু করে হিমালয় এবং বাংলাদেশের হাওর-বাঁওড় পর্যন্ত এদের বিচরণ থাকলেও বর্তমানে এদের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে আসছে।
শারীরিক চেহারা
শারীরিক গঠন
এই ঈগলটি লম্বায় প্রায় ৭৬ থেকে ৮৪ সেমি হয়। প্রাপ্তবয়স্ক পাখির মাথায় হালকা বাদামী রঙের হুড এবং মুখমণ্ডল সাদাটে থাকে। এদের ডানা গাঢ় বাদামী এবং পিঠ তামাটে রঙের হয়। এদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এদের কালো লেজ, যার মাঝখানে একটি চওড়া সাদা ব্যান্ড বা রেখা থাকে। ওড়ার সময় ডানার নিচেও সাদা অংশ দেখা যায়। কিশোর বা অপ্রাপ্তবয়স্ক পাখিরা সাধারণত বেশি গাঢ় রঙের হয় এবং তাদের লেজে সাদা ব্যান্ড থাকে না।
বাসস্থান
আবাসস্থল
পালস ফিশ ইগল প্রধানত জলের কাছাকাছি থাকতে পছন্দ করে। এদের মূলত বড় নদী, হ্রদ, মোহনা এবং সুন্দরবনের মতো ম্যানগ্রোভ অঞ্চলে দেখা যায়। অন্যান্য ঈগলের তুলনায় এরা কিছুটা অলস প্রকৃতির; এদের দীর্ঘক্ষণ ধরে জলের ধারের গাছের ডালে চুপচাপ বসে থাকতে দেখা যায়।
খাদ্যাভ্যাস
খাদ্যভ্যাস
নাম থেকেই বোঝা যায় যে এদের প্রধান খাদ্য হলো মাছ। এরা জলের উপরিভাগ থেকে ছোঁ মেরে অত্যন্ত নিপুণভাবে মাছ শিকার করতে পারে। মাছের পাশাপাশি এরা জলজ পাখি এবং মাঝেমধ্যে মৃত প্রাণীর মাংসও (carrion) খেয়ে থাকে।
প্রজনন এবং বাসা
প্রজনন ও বংশবৃদ্ধি
এরা মধ্য এশিয়া, মঙ্গোলিয়া থেকে শুরু করে হিমালয়, বাংলাদেশ এবং উত্তর ভারতে প্রজনন করে। জলাশয়ের পাশের উঁচু গাছে ডালপালা দিয়ে এরা বিশাল আকারের বাসা তৈরি করে। শীতকালে মধ্য এশিয়ার পাখিরা পরিযায়ী হয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে চলে আসে।
আচরণ
আচরণ
এই পাখিটি বেশ শান্ত স্বভাবের। দিনের অনেকটা সময় এরা জলাশয়ের পাশে ঝিম মেরে বসে শিকারের প্রতীক্ষা করে। তবে পরিযানের সময় এরা বিশাল পথ পাড়ি দিতে সক্ষম। প্রজনন ঋতুতে এদের কণ্ঠস্বর বেশ জোরালো এবং গম্ভীর হয়।
সংরক্ষণ অবস্থা - EN বিপন্ন
সংরক্ষণ অবস্থা
বর্তমানে পালস ফিশ ইগলকে বিশ্বব্যাপী বিপন্ন (Globally Threatened) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। জলাভূমি ভরাট, দূষণ এবং উপযুক্ত বড় গাছের অভাবে এদের সংখ্যা দিন দিন কমছে। এই সুন্দর পাখিটিকে বিলুপ্তির হাত থেকে বাঁচাতে জলাভূমি সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি।
আকর্ষণীয় তথ্য
আকর্ষণীয় তথ্য
- প্রাপ্তবয়স্ক পাখির লেজের চওড়া সাদা দাগ দেখে এদের আকাশে উড়ন্ত অবস্থায় খুব সহজে চেনা যায়।
- এরা অন্যান্য ঈগলের মতো সারাক্ষণ আকাশে না উড়ে বরং এক জায়গায় বসে থেকে মাছ ধরার জন্য ওত পেতে থাকে।
- বাংলাদেশে বিশেষ করে হাওর অঞ্চলে শীতকালে এদের দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
- এদের বৈজ্ঞানিক নাম Haliaeetus leucoryphus।
- অপ্রাপ্তবয়স্ক পাখিদের রং এতই আলাদা হয় যে অনেকে এদের অন্য প্রজাতির পাখি বলে ভুল করেন।
পাখি পর্যবেক্ষকদের জন্য টিপস
পাখি পর্যবেক্ষকদের জন্য টিপস
- লেজের দিকে নজর দিন: আকাশে ওড়ার সময় যদি দেখেন লেজের মাঝখানে চওড়া সাদা অংশ আছে, তবে নিশ্চিত হোন এটি পালস ফিশ ইগল।
- নদীর পাড়ে খোঁজ করুন: খোলা আকাশের চেয়ে বড় নদীর ধারের মরা ডাল বা উঁচু গাছের মাথায় এদের খোঁজা বেশি ফলপ্রসূ।
- সঠিক সময়: নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস এদের দেখার সবচেয়ে ভালো সময়।
উপসংহার
উপসংহার
পালস ফিশ ইগল বা কুড়া আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জলাভূমির এই শিকারিকে টিকিয়ে রাখা আমাদের পরিবেশেরই স্বার্থে প্রয়োজন। আপনি যদি একজন পাখিপ্রেমী হন, তবে এই বিরল ঈগলের দর্শন পাওয়া আপনার জন্য এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা হতে পারে।